Header Ads

পবিত্র আল্-কুর'আনুল করীমের বিভিন্ন সুরার ফজিলত (সহীহ হাদীসের আলোকে)

[♦ কুরআনের কিছু সুরা ও আয়াতের ফযীলতঃ---♦ ------------♦♦ [♦১] -সূরা ফাতিহা' কে আল্লাহ তাআলা তার ও বান্দার মাঝে ভাগ করে নিয়েছেন । বান্দা যখন নামাজে সূরা ফাতিহা পাঠ করে প্রতিটি আয়াতের জবাব আল্লাহ তা'আলা দেন । [ মুসলিম হা/৯০৪, মিশকাত হা/৮২৩ ] -------------♦♦ [♦২] সূরা মুলক' তার পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে এবং শেষাবধি পাঠক কে ক্ষমা করে দেওয়া হবে । {আবু দাউদ হা/১৪০০ , ইবনু মাজাহ হা/৩৭৮৬ } ------------♦♦ [♦৩] যে ব্যক্তি রাতে 'সূরা বাকারা'র শেষ ২ টি আয়াত পাঠ করবে , তার জন্য সে দুটি যথেষ্ট হবে । সে রাতে অপ্রীতিকর জিনিসের মোকাবেলায় যথেষ্ট হবে বা তাহাজ্জুদের ছালাত থেকে যথেষ্ট হবে । [রিয়াযুস স্বলেহীন হা/১০২৪ , বুখারী হা/৪০০৮ ] -------------♦♦ [♦৪] কুরআনের সবচেয়ে বড় মর্যাদাপূর্ণ আয়াত 'আয়াতুল কুরসী' । যে ব্যক্তি ঘুমানোর সময় ইহা পাঠ করবে তার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রক্ষক নিযুক্ত করা হবে এবং সকাল পর্যন্ত তার কাছে শয়তান আসতে পারবে না। [ বুখারী হা/২৩১১ এর পরবর্তী বাব ] ----------♦♦ যে ব্যক্তি প্রতি ফরয নামায শেষে আয়াতুল কুরসী পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া কোন কিছু বাধা হবে না। -------(সহীহ আল্ জামে :৬৪৬৪) ----------------♦♦ [♦৫] যে 'সূরা আল্-কাহাফ'-এর প্রথম ১০ আয়াত মুখস্ত করে সে দাজ্জালের ফিৎনা হতে নিরাপদ থাকবে। শেষ ১০- আয়াতের ব্যাপারেও উল্লিখিত ফজিলতের বর্ণনা রয়েছে। (মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসাঈ ও মুসনাদে আহমদ) যে ব্যক্তি জুম’আর দিনে 'সূরা আল-কাহাফ' পাঠ করবে, তার জন্য মহান আল্লাহ্ দুই জুম’আর মাঝে নূর আলোকিত করবেন। [ ইমাম নাসাঈ ও বায়হাকী] ---------------♦♦ [♦৬] সূরা ইখলাস' কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমতুল্য । 'কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ' এর প্রতি ভালবাসা পাঠক কে জান্নাতে প্রবেশ করাবে । [ মুসলিম হা/৮১২ , তিরমিযীহা/২৯০১ ] ------------------♦♦ [♦৭] সকাল-সন্ধ্যায় ‘ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ (সুরা ইখলাস)এবং ‘ক্বুল আঊযু বিরাবিবল ফালাক্ব’ (সুরা ফালাক্ব) ও ‘ক্বুল আঊযু বিরাবিবন্নাস’ (সুরা নাস) তিনবার করে পড়লে যেকোন (ক্ষতিকর) জিনিস থেকে নিরাপত্তার জন্য এটা যথেষ্ট হবে। -----------♦♦ [তিরমিযী ৩৫৭৫, আবূ দাউদ ৫০৮২, নাসায়ী ৫৪২৮, ৫৪২৯,হাসান সহীহ বলেছেন। ইমাম তিরমিযী, শায়খ আলবানী।] --------------♦♦ হে আমার আল্লাহ আমাদের সকল মুসলিম জাতীকে আমল করার তাওফিক দিন ! -----------[ আমীন ] --------------------------------♦♦♦-পবিত্র আল্-কুর'আনুল করীমের বিভিন্ন সুরার ফজিলত (সহীহ হাদীসের আলোকে) ********************************* ******************************** [♦] কুরআনের কিছু সুরা ও আয়াতের ফযীলতঃ---♦ ------------♦♦ [♦১] -সূরা ফাতিহা' কে আল্লাহ তাআলা তার ও বান্দার মাঝে ভাগ করে নিয়েছেন । বান্দা যখন নামাজে সূরা ফাতিহা পাঠ করে প্রতিটি আয়াতের জবাব আল্লাহ তা'আলা দেন । [ মুসলিম হা/৯০৪, মিশকাত হা/৮২৩ ] -------------♦♦ [♦২] সূরা মুলক' তার পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে এবং শেষাবধি পাঠক কে ক্ষমা করে দেওয়া হবে । {আবু দাউদ হা/১৪০০ , ইবনু মাজাহ হা/৩৭৮৬ } ------------♦♦ [♦৩] যে ব্যক্তি রাতে 'সূরা বাকারা'র শেষ ২ টি আয়াত পাঠ করবে , তার জন্য সে দুটি যথেষ্ট হবে । সে রাতে অপ্রীতিকর জিনিসের মোকাবেলায় যথেষ্ট হবে বা তাহাজ্জুদের ছালাত থেকে যথেষ্ট হবে । [রিয়াযুস স্বলেহীন হা/১০২৪ , বুখারী হা/৪০০৮ ] -------------♦♦ [♦৪] কুরআনের সবচেয়ে বড় মর্যাদাপূর্ণ আয়াত 'আয়াতুল কুরসী' । যে ব্যক্তি ঘুমানোর সময় ইহা পাঠ করবে তার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রক্ষক নিযুক্ত করা হবে এবং সকাল পর্যন্ত তার কাছে শয়তান আসতে পারবে না। [ বুখারী হা/২৩১১ এর পরবর্তী বাব ] ----------♦♦ যে ব্যক্তি প্রতি ফরয নামায শেষে আয়াতুল কুরসী পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া কোন কিছু বাধা হবে না। -------(সহীহ আল্ জামে :৬৪৬৪) ----------------♦♦ [♦৫] যে 'সূরা আল্-কাহাফ'-এর প্রথম ১০ আয়াত মুখস্ত করে সে দাজ্জালের ফিৎনা হতে নিরাপদ থাকবে। শেষ ১০- আয়াতের ব্যাপারেও উল্লিখিত ফজিলতের বর্ণনা রয়েছে। (মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসাঈ ও মুসনাদে আহমদ) যে ব্যক্তি জুম’আর দিনে 'সূরা আল-কাহাফ' পাঠ করবে, তার জন্য মহান আল্লাহ্ দুই জুম’আর মাঝে নূর আলোকিত করবেন। [ ইমাম নাসাঈ ও বায়হাকী] ---------------♦♦ [♦৬] সূরা ইখলাস' কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমতুল্য । 'কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ' এর প্রতি ভালবাসা পাঠক কে জান্নাতে প্রবেশ করাবে । [ মুসলিম হা/৮১২ , তিরমিযীহা/২৯০১ ] ------------------♦♦ [♦৭] সকাল-সন্ধ্যায় ‘ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ (সুরা ইখলাস)এবং ‘ক্বুল আঊযু বিরাবিবল ফালাক্ব’ (সুরা ফালাক্ব) ও ‘ক্বুল আঊযু বিরাবিবন্নাস’ (সুরা নাস) তিনবার করে পড়লে যেকোন (ক্ষতিকর) জিনিস থেকে নিরাপত্তার জন্য এটা যথেষ্ট হবে। -----------♦♦ [তিরমিযী ৩৫৭৫, আবূ দাউদ ৫০৮২, নাসায়ী ৫৪২৮, ৫৪২৯,হাসান সহীহ বলেছেন। ইমাম তিরমিযী, শায়খ আলবানী।] --------------♦♦ হে আমার আল্লাহ আমাদের সকল মুসলিম জাতীকে আমল করার তাওফিক দিন ! -----------[আমিন]

No comments

Powered by Blogger.